Thursday, December 12, 2019

জীবনের জন্য পানি

প্রশ্ন ১। পানির তিনটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম লেখ।

উত্তর : বৃষ্টি, নদী, সমুদ্র।
প্রশ্ন ২। উদ্ভিদ দেহের কত ভাগ পানি?
উত্তর : প্রায় ৯০ ভাগ।
প্রশ্ন ৩। প্রাণি দেহের কত ভাগ পানি?
উত্তর : ৬০ - ৭০ ভাগ।
প্রশ্ন ৪। প্রাণি দেহে পানির প্রধান কাজ কী?
উত্তর : খাদ্য পরিপাকে সাহায্য।
প্রশ্ন ৫। আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে কী?
উত্তর : পানি।
প্রশ্ন ৬। শিশির বলতে কী বোঝ?
উত্তর : রাতে ঘাস, গাছপালা ইত্যাদির উপর যে বিন্দু বিন্দু পানি জমে তাকে শিশির বলে।
প্রশ্ন ৭। ঘনীভবন কাকে বলে?
উত্তর : বাষ্প থেকে তরলে পরিনত হওয়াকে ঘনীভবন বলে।
প্রশ্ন ৮। বাষ্পীভবন কী?
উত্তর : তরল থেকে বাষ্পে পরিনত হওয়ার প্রক্রিয়াই হচ্ছে বাষ্পীভবন।
প্রশ্ন ৯। পানি চক্র কী?
উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় পানি বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হয়ে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে তাই পানি চক্র।
প্রশ্ন ১০। পানির তিনটি অবস্থা কী কী?
উত্তর :পানির তিনটি অবস্থা হলো কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
প্রশ্ন ১১। পানি দূষণের প্রধান কারন কী?
উত্তর : পানি দূষণের প্রধান কারন হলো মানুষের কর্মকান্ড।
প্রশ্ন ১২। দুটি পানিবাহিত রোগের নাম লেখ।
উত্তর : দুটি পানিবাহিত রোগের নাম হলো ডায়রিয়া ও কলেরা।
প্রশ্ন ১৩। নিরাপদ পানি কী?
উত্তর : মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন পানিই হলো নিরাপদ পানি।
প্রশ্ন ১৪। পানি বিশুদ্ধকরণ বলতে কী বোঝ?
উত্তর : মানুষের ব্যবহারের জন্য পানিকে গ্রহনযোগ্য এবং নিরাপদ করার ব্যবস্থাই হলো পানি বিশুদ্ধকরণ।
জীবনের জন্য পানি

অধ্যায় তিন : জীবনের জন্য পানি (সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন)

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
প্রশ্ন : পানি দূষণ প্রতিরোধের ৩টি উদাহরণ দাও।
উত্তর : পানিদূষণ প্রতিরোধের ৩টি উদাহরণ নিম্নে দেয়া হলোÑ
ক) কৃষিতে কীটনাশক এবং রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে আমরা পানিদূষণ প্রতিরোধ করতে পারি।
খ) রান্নাঘরের নিষ্কাশন নালায় ও টয়লেটে রাসায়নিক বর্জ্য এবং তেল না ফেলে দূষণ রোধ করতে পারি।
গ) পুকুর, নদী, হ্রদ কিংবা সাগরে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পানিদূষণ কমাতে পারি।
প্রশ্ন : অনিরাপদ পানি থেকে নিরাপদ পানি পাওয়ার চারটি উপায় লিখ।
উত্তর : অনিরাপদ পানি থেকে নিরাপদ পানি পাওয়ার চারটি উপায় হলোÑ
১. ছাঁকন ২. থিতানো ৩. ফুটানো ৪. রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধকরণ।
প্রশ্ন : বৃষ্টির পর মাটিতে পানি জমা হয়। কিছুক্ষণ পর সেই পানি অদৃশ্য হয়ে যায়। ওই পানি কোথায় যায়?
উত্তর : বৃষ্টির পর ভূপৃষ্ঠে যে পানি জমা হয় তা সূর্যের তাপে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয় এবং পরে তা বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। এ ক্ষেত্রে পানি তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়। অর্থাৎ পানির অবস্থার পরিবর্তন হয়।
প্রশ্ন : পানির তিনটি অবস্থা কী কী?
উত্তর : পানির তিনটি অবস্থা হলোÑ কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়। পানির কঠিন অবস্থাকে বরফ, তরল অবস্থাকে পানি এবং গ্যাসীয় অবস্থাকে জলীয়বাষ্প বলা হয়।
প্রশ্ন : বৃষ্টি কী?
উত্তর : সূর্যতাপ পুকুর, খাল, বিল, নদী ও সমুদ্রের পানিকে জলীয়বাষ্পে পরিণত করে। জলীয়বাষ্পের ক্ষুদ্র পানিকণা মিশে মেঘ সৃষ্টি করে। মেঘের পানিকণাগুলো একত্র হয়ে আরো বড় হয়ে বৃষ্টিরূপে মাটিতে পড়ে।
প্রশ্ন : ছাঁকন কী?
উত্তর : ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পানি পরিষ্কার করার প্রক্রিয়াই হলো ছাঁকন।
প্রশ্ন : পানি চক্রের প্রবাহ চিত্র লিখ।
উত্তর: পানিম বাষ্পম মেঘম বৃষ্টি।
প্রশ্ন : বিশুদ্ধ পানি কাকে বলে?
উত্তর : যে পানি স্বচ্ছ, বর্ণহীন, গন্ধহীন, যাতে কোনো ভাসমান জৈব কিংবা অজৈব পদার্থ থাকে না এবং যাতে কোনো রোগজীবাণু নেই তাকে বিশুদ্ধ পানি বলে।
প্রশ্ন : দূষিত পানি কাকে বলে?
উত্তর : যে পানিতে নানা প্রকার রোগজীবাণু, ময়লা-আবর্জনা ইত্যাদি থাকে এবং পান করলে আমাদের রোগ হয় তাকে দূষিত পানি বলে।
প্রশ্ন : নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে কোথায় মেশে?
উত্তর : নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে মেশে।
প্রশ্ন : বায়ুর জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা হয়ে কিসে পরিণত হয়?
উত্তর : বায়ুর জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা হয়ে পানিকণায় পরিণত হয়।